Test Footer

My Blog List

Text Widget

Random post

Discussion

Our Sponsors

10 Recent Post

Template Information

Random Post

Featured Content Slider

Popular Posts

Followers

Search Box

Slider(Do not Edit Here!)

Insagram



কিছু কিছু বিষয় আমরা নিজেরা মেনে চলার চেষ্টা করলেও শিশুদের ব্যাপারে মোটেও গুরুত্ব দিই না ভাবি, তো এখনও ছোট, একটু বড় হোক, নিজে নিজেই শিখে নিবে বা আমরাই শিখিয়ে দেব অথবা বড় হলে এসব অভ্যাস আপনা আপনিই চলে যাবে এই ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে কত শিশুর যে ভবিষ্যত আমরা নিজ হাতে নষ্ট করছি তার ইয়ত্তা নেই
ফার্সীতে একটি প্রবাদ আছে, যার ভাবার্থ : ইমারতের প্রথম ইঁটটি যদি বাঁকা করে বিছানো হয় তবে তার উচ্চতা তারকালোক স্পর্শ করলেও শেষ পর্যন্ত তা বাঁকাই থাকবে।
আমাদের গ্রামাঞ্চলে আরেকটি প্রবাদ আছে ‘‘কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পরে করে ঠাসঠাস।’’
শিশুকাল যেমন মানুষের জীবনের সূচনালগ্ন তেমনি তখনকার শিক্ষাও প্রাসাদের ভিত্তিমূলের মতোই ভবিষ্যৎ জীবনের ভালো-মন্দের ভিত্তি। তাই সময় একবার শিশুর স্বভাব খারাপ হতে দিলে পরে আর তা শোধরানো সম্ভব হয় না। পাকা বাঁশের মতো তা অনমনীয় হয়ে যায়। আসলে কেউই মায়ের পেট থেকে খারাপ স্বভাব নিয়ে জন্মগ্রহণ করে না। প্রয়োজনীয় সুশিক্ষার অভাব এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশ-প্রতিবেশের কারণেই সে খারাপ পথে পা বাড়ায়।
হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে-প্রতিটি শিশুই ফিতরাতের (স্বভাব ধর্মের) অধিকারী হয়ে জন্মগ্রহণ করে। অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইহুদী, নাসারা বা অগ্নিপূজক বানায়। (সহীহ বুখারী, হাদীস ১৩৮৫)

Android Apps For Free. ডাউনলোড করুন


যারা মাজার/কবর পূজারী, পীর/মুরীদ বিশ্বাসী বা অচেতনভাবে শিরকী কাজে লিপ্ত আছেন তাদের জন্য পবিত্র কুরআনুল কারীম থেকে কিছু রেফারেন্স দেয়া হল: আয়াতগুলো পড়ে নিজেদের এবং আপনার ডাকা পীর/মুরীদদের অবস্থা বিচার করুন। আল্লাহ আমাদের নিম্নোক্ত আয়াতগুলো পড়ে বুঝার তৌফিক দান করুন.... -মীন।

কিন্তু( আল্লাহর একত্বের প্রমাণ নির্দেশক এসব সুস্পষ্ট নিদর্শন থাকা সত্ত্বেও) কিছু লোক আল্লাহ ছাড়া অন্যদেরকে তাঁর সমকক্ষ ও প্রতিপক্ষ দাঁড় করায় এবং তাদেরকে এমন ভালোবাসে যেমন আল্রাহকে ভালোবাসা উচিত অথচ ঈমানদাররা সবচেয়ে বেশী আল্লাহকে ভালোবাসে ৷হায়! আযাব সামনে দেখে এই যালেমরা যা কিছু অনুধাবন করার তা যদি আজই অনুধাবন করতো যে , সমস্ত শক্তি ও ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর অধীন এবং শাস্তি ব্যাপারে আল্লাহ অত্যন্ত কঠোর ৷ [সূরা বাক্বারা: ১৬৫]

তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে নিজেদের উলামা ও দরবেশদেরকে নিজেদের খোদায় পরিণত করেছে৷ এবং এভাবে মারয়াম পুত্র মসীহকেও৷ অথচ তাদের মাবুদ ছাড়া আর কারোর বন্দেগী কারার হুকুম দেয়া হয়নি, এমন এক মাবুদ যিনি ছাড়া ইবাদত লাভের যোগ্যতা সম্পন্ন আর কেউ নেই৷ তারা যেসব মুশরিকী কথা বলে তা থেকে তিনি পাক পবিত্র৷ [সূরা তাওবা:৩১

সাবধান! একনিষ্ঠ ইবাদাত কেবল আল্লাহরই প্রাপ্য৷ যারা তাঁকে ছাড়া অন্যদেরকে অভিভাবক বানিয়ে রেখেছে (আর নিজেদের এ কাজের কারণ হিসেবে বলে যে,) আমরা তো তাদের ইবাদাত করি শুধু এই কারণে যে, সে আমাদেরকে আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেবে৷ আল্লাহ নিশ্চিতভাবেই তাদের মধ্যকার সেসব বিষয়ের ফায়সালা করে দেবেন যা নিয়ে তারা মতভেদ করছিলো৷ আল্লাহ এমন ব্যক্তিকে হিদায়াত দান করেন না, যে মিথ্যাবাদী ও হক অস্বীকারকারী৷ [সূরা ঝুমার: ] এ লোকেরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদের ইবাদত করছে তারা তাদের ক্ষতিও করতে পারে না, উপকারও করতে পারে না৷ আর তারা বলে এরা আল্লাহর কাছে আমাদের সুপারিশকারী ৷ হে মুহাম্মাদ ! ওদেরকে বলে দাও, তোমরা কি আল্লাহকে এমন বিষয়ের খবর দিচ্ছো যার অস্তিত্বের কথা তিনি আকাশেও জানেন না এবং যমিনেও না! তারা যে শিরক করে তা থেকে তিনি পাক -পবিত্র এবং তার উর্ধে৷ [সূরা ইউনুছ: ১৮]

আর ভয় করো সেই দিনকে যেদিন কেউ কারো সামান্যতমও কাজে লাগবে না, কারো পক্ষ থেকে সুপারিশ গৃহীত হবে না, বিনিময় নিয়ে কাউকে ছেড়ে দেয়া হবে না এবং অপরাধীরা কোথাও থেকে সাহায্য লাভ করতে পারবে না ৷ [সূরা বাক্বারা: ৪৮]

বলো, আমি কি আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কোন রবের সন্ধান করবো অথচ তিনিই সকল কিছুর মালিক ? প্রত্যেক ব্যক্তি যা কিছু উপার্জন করে সে জন্য সে নিজে দায়ী, কেউ কারো বোঝা বহন করবে না তারপর তোমাদের সবাইকে তোমাদের রবের দিকে ফিরে যেতে হবে৷ সে সময় তোমাদের মতবিরোধের প্রকৃত স্বরূপ তিনি তোমাদের সামনে উন্মুক্ত করে দেবেন৷ [সূরা আন-আম: ১৬৪]

এটি সেই দিন যখন কারোর জন্য কোন কিছু করার সাধ্য কারোর থাকবে না ৷ফায়সালা সেদিন একমাত্র আল্লাহর ইখতিয়ারে থাকবে৷ [সূরা ইন-ফিতার: ১৯]

(
আর আল্লাহ বলবেনঃ) ‘‘ দেখো এবার তোমরা ঠিক তেমনি নিসংগ ও একাকী আমার সামনে হাযির হয়ে গেছো যেমনটি তোমাদের প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, যা কিছু তোমাদের দুনিয়ায় দিয়েছিলাম তা সব তোমরা পেছনে রেখে এসেছো এবং এখন তোমাদের সাথে তোমাদের সে সব সুপারিশকারীদেরকেও দেখছি না যাদের সম্পর্কে তোমরা মনে করতে তোমাদের কার্য সম্পাদান করার ব্যাপারে তাদেরও কিছুটা অবদান আছে৷ তোমাদের মধ্যকার সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে এবং তোমরা যেসব ধারণা করতে তা সবই তোমাদের কাছ থেকে হারিয়ে গেছে৷’’ [সূরা আন-আম: ৯৪]

যদি আল্লাহ তোমার কোন ধরনের ক্ষতি করেন তাহলে তিনি ছাড়া আর কেউ নেই যে তোমাকে ঐ ক্ষতি থেকে বাঁচাতে পারে৷ আর যদি তিনি তোমার কোন কল্যাণ করেন, তাহলে তিনি সবকিছুর ওপর শক্তিশালী৷ তিনি নিজের বান্দাদের ওপর পূর্ণ ক্ষমতা রাখেন এবং তিনি জ্ঞানী ও সবকিছু জানেন৷ [সূরা আন-আম: ১৭, ১৮]